
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন শুভষষ্ঠী। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও শাস্ত্রীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, এদিন দেবী দুর্গাকে কাত্যায়নী রূপে পূজা করা হয়। অসুরবিনাশিনী ও শক্তির প্রতীক দেবী দুর্গার এই রূপ ভক্তদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
পুরাণকথা অনুযায়ী, ঋষি কাত্যায়নের তপস্যা ও আরাধনার সঙ্গে দেবীর এই রূপের সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণে দেবী ‘কাত্যায়নী’ নামে পরিচিত। এই রূপে দেবীকে অন্যায়, অশুভ শক্তি ও অসুরের বিরুদ্ধে শুভশক্তির বিজয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ষষ্ঠীতে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিক পর্বের সূচনা হয়। ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপগুলো।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী দুর্গার আরাধনা মানুষের জীবনে সাহস, শক্তি, কল্যাণ ও অশুভের বিরুদ্ধে শুভের জয়ের বার্তা বহন করে। মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গোৎসব ভক্তদের মধ্যে আনন্দ, ভক্তি ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি করে।
দ্রষ্টব্য: মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন ও পূজার প্রচলন সর্বজনীন হলেও, নবরাত্রির নবদুর্গা পূজার ধারায় ষষ্ঠ দিনে কাত্যায়নী পূজার বিশেষ উল্লেখ রয়েছে।

ডেস্ক রির্পোট । World Hindu Times 





















