
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের খলিফা পট্টি পূজামণ্ডপে ব্যতিক্রমী থিমের মাধ্যমে সমাজের নির্মম বাস্তবতা ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ধর্মীয় উৎসবের আবহের পাশাপাশি এমন উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের সামাজিক সহিংসতা, মানুষের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করছে।
দুর্গাপূজা বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী দুর্গার প্রতিমা, নান্দনিক সাজসজ্জা ও নানা প্রতিপাদ্যভিত্তিক আয়োজন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। তবে খলিফা পট্টি পূজামণ্ডপের এই থিমে উৎসবের সৌন্দর্যের পাশাপাশি সমাজের অন্ধকার দিকগুলোও তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
থিমের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বার্তা প্রকাশ পেয়েছে। একই সঙ্গে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা, মানবিক মূল্যবোধ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতার বিষয়গুলো সামনে এসেছে। এর মাধ্যমে পূজামণ্ডপকে শুধু আনন্দ-উৎসবের স্থান হিসেবে নয়, সামাজিক বার্তা প্রকাশের একটি মাধ্যম হিসেবেও উপস্থাপন করা হয়েছে।
বর্তমান সমাজে সহিংসতা, হত্যাকাণ্ড ও মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। এমন বাস্তবতায় শিল্প ও প্রতীকী উপস্থাপনার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উৎসবের মঞ্চে সামাজিক অসংগতিগুলো তুলে ধরার মধ্য দিয়ে মানুষকে সচেতন করার একটি প্রয়াস হিসেবেও এই আয়োজনকে দেখা যায়।
দুর্গাপূজার মূল তাৎপর্য অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা। সেই ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্যায়, সহিংসতা ও নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বার্তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মানুষের সম্মিলিত দায়িত্বের কথাও এ ধরনের আয়োজন স্মরণ করিয়ে দেয়।

ডেস্ক রির্পোট ।। World Hindu Times 





















