চট্টগ্রাম ০৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
Logo বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo সন্ধিপূজা ও কুমারী আরাধনায় উদ্‌যাপিত হচ্ছে মহাঅষ্টমী Logo নরসিংদীতে বাবার ত্যাগের গল্পে পূজা মণ্ডপসজ্জা Logo কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় টানা তিন বছর ধরে দুর্গাপূজা হচ্ছে না। Logo রংপুরের ঐতিহ্যবাহী করুণাময়ী কালীবাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গোৎসব Logo লালমনিরহাটে সনাতন সেবক সংঘের ২৯তম বৈদিক বিদ্যাপীঠের সমাপনী ও গীতাদান অনুষ্ঠান Logo ১২৮ বছরের ঐতিহ্যে মুলাটোল সার্বজনীন পূজা মন্দিরে দুর্গোৎসব Logo আগামী ২০শে অক্টোবর রংপুর মহানগরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আসবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান Logo দীঘিনালার রশিকনগর হরি মন্দিরে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে সপ্তমী পূজা উদযাপন Logo রাউজানে মনপোদ্দার বাড়িতে শতবর্ষ পূর্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুর্গোৎসব

খাগড়াছড়িতে ৯টি উপজেলায় ৬৮টি পুজা মন্ডপ,অনুষ্ঠিত হবে দুর্গোৎসব


শরৎ এর আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। পাহাড়ের গায়ে লেগেছে উৎসবের রঙ। আর কদিন পরেই ঢাক-ঢোলের বাজনায় মুখরিত হবে খাগড়াছড়ির প্রতিটি প্রান্তর। কারণ এবারও আসছেন দশভূজা মা দুর্গা।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছর জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ৬৮টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে। এর মধ্যে ৬৩টি মন্ডপে হবে প্রতিমা পূজা আর ৫টি মন্ডপে হবে ঘট পূজা।

সবচেয়ে বেশি উৎসবের আলো ছড়াবে জেলা সদরে। এখানে ২টি মন্ডপে বসবে মায়ের আরাধনা। পানছড়িতে ১১টি, মাটিরাঙ্গা ও দীঘিনালায় ৯টি করে, গুইমারায় ৭টি, মানিকছড়িতে ৫টি, রামগড় ও মহালছড়িতে ২টি করে এবং লক্ষ্মীছড়িতে ১টি মন্ডপে পূজা হবে।

ইতোমধ্যেই পাহাড়ের মৃৎশিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। খাগড়াছড়ি সদরের কেন্দ্রীয় লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির, শান্তিনগর গীতাশ্রম, আনন্দনগর সহ প্রতিটি মন্ডপে চলছে প্রতিমা নির্মাণের শেষ কাজ। মাটির দলা থেকে ফুটে উঠছে মা দুর্গার রূপ।

উৎসবকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ৩২ বিজিবি’র সমন্বয়ে প্রতিটি পূজা মন্ডপে থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মন্ডপগুলোতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সেই সাথে দায়িত্ব পালন করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

খাগড়াছড়ি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার মজুমদার জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব যেন নির্বিঘ্নে পালিত হয় সেজন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক তমাল তরুণ দাশ বলেন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে একাধিক মতবিনিময় সভা হয়েছে। প্রতিটি মন্ডপে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিটির পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক থাকবে।

সম্প্রীতির এই ভূখণ্ডে দুর্গোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি পাহাড়ি-বাঙালির মিলনমেলা। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও খোঁজ-খবর রাখছেন।

উৎসবের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, পাহাড়ের হাওয়ায় ততই ভাসছে আগমনীর সুর। ৬৮টি মন্ডপের ৬৮টি প্রদীপে আলোকিত হবে খাগড়াছড়ি। শান্তি আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে এবারও মা আসবেন পাহাড়ের ঘরে ঘরে।


 

Tags
প্রতিবেদকের সম্পর্কে তথ্য

ডেস্ক রির্পোট ।। World Hindu Times

ধর্ম | সংস্কৃতি | মানবাধিকার | সংবাদ
জনপ্রিয় খবর

বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

খাগড়াছড়িতে ৯টি উপজেলায় ৬৮টি পুজা মন্ডপ,অনুষ্ঠিত হবে দুর্গোৎসব

আপডেটের সময় : ০৫:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শরৎ এর আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। পাহাড়ের গায়ে লেগেছে উৎসবের রঙ। আর কদিন পরেই ঢাক-ঢোলের বাজনায় মুখরিত হবে খাগড়াছড়ির প্রতিটি প্রান্তর। কারণ এবারও আসছেন দশভূজা মা দুর্গা।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছর জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ৬৮টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে। এর মধ্যে ৬৩টি মন্ডপে হবে প্রতিমা পূজা আর ৫টি মন্ডপে হবে ঘট পূজা।

সবচেয়ে বেশি উৎসবের আলো ছড়াবে জেলা সদরে। এখানে ২টি মন্ডপে বসবে মায়ের আরাধনা। পানছড়িতে ১১টি, মাটিরাঙ্গা ও দীঘিনালায় ৯টি করে, গুইমারায় ৭টি, মানিকছড়িতে ৫টি, রামগড় ও মহালছড়িতে ২টি করে এবং লক্ষ্মীছড়িতে ১টি মন্ডপে পূজা হবে।

ইতোমধ্যেই পাহাড়ের মৃৎশিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। খাগড়াছড়ি সদরের কেন্দ্রীয় লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির, শান্তিনগর গীতাশ্রম, আনন্দনগর সহ প্রতিটি মন্ডপে চলছে প্রতিমা নির্মাণের শেষ কাজ। মাটির দলা থেকে ফুটে উঠছে মা দুর্গার রূপ।

উৎসবকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ৩২ বিজিবি’র সমন্বয়ে প্রতিটি পূজা মন্ডপে থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়। ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত মন্ডপগুলোতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সেই সাথে দায়িত্ব পালন করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

খাগড়াছড়ি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার মজুমদার জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব যেন নির্বিঘ্নে পালিত হয় সেজন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক তমাল তরুণ দাশ বলেন, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে একাধিক মতবিনিময় সভা হয়েছে। প্রতিটি মন্ডপে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কমিটির পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক থাকবে।

সম্প্রীতির এই ভূখণ্ডে দুর্গোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি পাহাড়ি-বাঙালির মিলনমেলা। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও খোঁজ-খবর রাখছেন।

উৎসবের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, পাহাড়ের হাওয়ায় ততই ভাসছে আগমনীর সুর। ৬৮টি মন্ডপের ৬৮টি প্রদীপে আলোকিত হবে খাগড়াছড়ি। শান্তি আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে এবারও মা আসবেন পাহাড়ের ঘরে ঘরে।