চট্টগ্রাম ০৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
Logo বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo সন্ধিপূজা ও কুমারী আরাধনায় উদ্‌যাপিত হচ্ছে মহাঅষ্টমী Logo নরসিংদীতে বাবার ত্যাগের গল্পে পূজা মণ্ডপসজ্জা Logo কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় টানা তিন বছর ধরে দুর্গাপূজা হচ্ছে না। Logo রংপুরের ঐতিহ্যবাহী করুণাময়ী কালীবাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গোৎসব Logo লালমনিরহাটে সনাতন সেবক সংঘের ২৯তম বৈদিক বিদ্যাপীঠের সমাপনী ও গীতাদান অনুষ্ঠান Logo ১২৮ বছরের ঐতিহ্যে মুলাটোল সার্বজনীন পূজা মন্দিরে দুর্গোৎসব Logo আগামী ২০শে অক্টোবর রংপুর মহানগরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আসবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান Logo দীঘিনালার রশিকনগর হরি মন্দিরে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে সপ্তমী পূজা উদযাপন Logo রাউজানে মনপোদ্দার বাড়িতে শতবর্ষ পূর্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুর্গোৎসব

গুরু মহারাজ যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজের অলৌকিক ঘটনার নিদর্শন।

ছবি:সংগৃহীত


ইং ১৯২৮ সাল। গুরু মহারাজ কাশী ধামের ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে সর্বপ্রথম শ্রীশ্রী দুর্গা পূজার আয়োজন করেন। এই উপলক্ষে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজী, স্বামী বেদানন্দজী সহ বহু সন্ন্যাসী, ব্রহ্মচারী, সেবক ও কর্মী নিয়ে কলকাতা আশ্রম হতে কাশীধামে উপস্থিত হলেন। সেই সময় শ্রীশ্রী গুরু মহরাজের সাক্ষাৎ লীলা সহচর স্বামী বেদানন্দজী এক অভূতপূর্ব অলৌকিক দর্শন ও অনুভূতি লাভ করেন।

শ্রীশ্রী দুর্গা পূজার সপ্তমীর রাত। স্বামী বেদানন্দজীর চোখে ঘুম নেই। কী এক অভূতপূর্ব অলৌকিক দর্শন ও অনুভূতিতে তাঁর অন্তর ভরে গেছে। স্বামী বেদানন্দজী দর্শন করছেন আকাশে বিরাট জ্যোতির্ময় রূপে চারিদিক আলো ক’রে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ দুর্গা মায়ের রূপ ধরে বসে আছেন। এই দৃশ্য দেখে স্বামী বেদানন্দজী এক অভূতপূর্ব অনুভূতিতে ডুবে গিয়ে করজোড়ে “মা, মা” বলে অশ্রুসিক্ত নয়নে পুনঃপুন “ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থ সাধিকে। শরণ্যে ত্রম্বকে গৌরী নারায়ণি নমহস্তুতে।” এই মাতৃ স্তব পাঠ করছেন। এভাবে আকাশে জ্যোতির্ময়ী দুর্গা রূপে গুরু মহারাজকে দর্শন করতে করতে সারা রাত কেটে গেল তার।

ভোরে সেই মহাভাব ও অলৌকিক দর্শনের অনুভূতি নিয়ে স্বামী বেদানন্দজী শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের চরণে প্রণাম করলেন। এবং দেখলেন সমস্ত রাত্রি যে অলৌকিক দৃশ্য দর্শনে ডুবে ছিলেন সেই জগজ্জননী রূপে গুরু মহারাজ শ্রীহস্ত প্রসারণ পূর্বক আশীর্বাদ ক’রে স্বামী বেদানন্দজীকে পূজারতি করার আদেশ দিলেন। আদেশ পেয়ে স্বামী বেদানন্দজী শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের পূজারতি ক’রে তাঁর চরণে প্রণাম নিবেদন করলে, তিনি স্বামী বেদানন্দজীর মাথা স্পর্শ ক’রে বিশেষ আশীর্বাদ দান করলেন। সে দিনের সেই মহান আশীর্বাদে এবং শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের অলৌকিক পবিত্র স্পর্শে স্বামী বেদানন্দজীর মনপ্রাণ এক মহাভাব রাজ্যে উঠে গেল। যেখানে বিশ্বজননী মা দুর্গা রূপে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ বিরাজ করছেন।এই অলৌকিক ঘটনার মধ্যে দিয়ে জানা যায় যে, শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ স্বামী প্রণবানন্দজী, স্বামী বেদানন্দজীকে কৃপা ক’রে জগজ্জননী মা দুর্গা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন। শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ শিশুকালে তাঁর দিদি হেমাঙ্গিনীকে লক্ষ্য ক’রে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “কালী, কৃষ্ণ, শিব, দুর্গা সবই আমার এই দেহের মধ্যে আছে।” স্বামী বেদানন্দজীকে দুর্গা রূপে দর্শন দিয়ে তিনি তাঁর বাণীর সত্যতা প্রমাণ করলেন।


 

Tags
জনপ্রিয় খবর

বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

গুরু মহারাজ যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজের অলৌকিক ঘটনার নিদর্শন।

আপডেটের সময় : ০৪:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ইং ১৯২৮ সাল। গুরু মহারাজ কাশী ধামের ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে সর্বপ্রথম শ্রীশ্রী দুর্গা পূজার আয়োজন করেন। এই উপলক্ষে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজী, স্বামী বেদানন্দজী সহ বহু সন্ন্যাসী, ব্রহ্মচারী, সেবক ও কর্মী নিয়ে কলকাতা আশ্রম হতে কাশীধামে উপস্থিত হলেন। সেই সময় শ্রীশ্রী গুরু মহরাজের সাক্ষাৎ লীলা সহচর স্বামী বেদানন্দজী এক অভূতপূর্ব অলৌকিক দর্শন ও অনুভূতি লাভ করেন।

শ্রীশ্রী দুর্গা পূজার সপ্তমীর রাত। স্বামী বেদানন্দজীর চোখে ঘুম নেই। কী এক অভূতপূর্ব অলৌকিক দর্শন ও অনুভূতিতে তাঁর অন্তর ভরে গেছে। স্বামী বেদানন্দজী দর্শন করছেন আকাশে বিরাট জ্যোতির্ময় রূপে চারিদিক আলো ক’রে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ দুর্গা মায়ের রূপ ধরে বসে আছেন। এই দৃশ্য দেখে স্বামী বেদানন্দজী এক অভূতপূর্ব অনুভূতিতে ডুবে গিয়ে করজোড়ে “মা, মা” বলে অশ্রুসিক্ত নয়নে পুনঃপুন “ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থ সাধিকে। শরণ্যে ত্রম্বকে গৌরী নারায়ণি নমহস্তুতে।” এই মাতৃ স্তব পাঠ করছেন। এভাবে আকাশে জ্যোতির্ময়ী দুর্গা রূপে গুরু মহারাজকে দর্শন করতে করতে সারা রাত কেটে গেল তার।

ভোরে সেই মহাভাব ও অলৌকিক দর্শনের অনুভূতি নিয়ে স্বামী বেদানন্দজী শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের চরণে প্রণাম করলেন। এবং দেখলেন সমস্ত রাত্রি যে অলৌকিক দৃশ্য দর্শনে ডুবে ছিলেন সেই জগজ্জননী রূপে গুরু মহারাজ শ্রীহস্ত প্রসারণ পূর্বক আশীর্বাদ ক’রে স্বামী বেদানন্দজীকে পূজারতি করার আদেশ দিলেন। আদেশ পেয়ে স্বামী বেদানন্দজী শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের পূজারতি ক’রে তাঁর চরণে প্রণাম নিবেদন করলে, তিনি স্বামী বেদানন্দজীর মাথা স্পর্শ ক’রে বিশেষ আশীর্বাদ দান করলেন। সে দিনের সেই মহান আশীর্বাদে এবং শ্রীশ্রী গুরু মহারাজের অলৌকিক পবিত্র স্পর্শে স্বামী বেদানন্দজীর মনপ্রাণ এক মহাভাব রাজ্যে উঠে গেল। যেখানে বিশ্বজননী মা দুর্গা রূপে শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ বিরাজ করছেন।এই অলৌকিক ঘটনার মধ্যে দিয়ে জানা যায় যে, শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ স্বামী প্রণবানন্দজী, স্বামী বেদানন্দজীকে কৃপা ক’রে জগজ্জননী মা দুর্গা রূপে দর্শন দিয়েছিলেন। শ্রীশ্রী গুরু মহারাজ শিশুকালে তাঁর দিদি হেমাঙ্গিনীকে লক্ষ্য ক’রে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “কালী, কৃষ্ণ, শিব, দুর্গা সবই আমার এই দেহের মধ্যে আছে।” স্বামী বেদানন্দজীকে দুর্গা রূপে দর্শন দিয়ে তিনি তাঁর বাণীর সত্যতা প্রমাণ করলেন।