
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, চিকনদণ্ডীর বাসিন্দা টুটুল দাশ ও পম্পী দাশের ছয় মাসের সন্তানকে প্রসবজনিত সমস্যার কারণে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে চৌধুরীহাট নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর প্রস্রাবজনিত কারণ দেখিয়ে শিশুটির মাকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরই, অর্থাৎ আরও প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রসব হয়ে যায়।
তবে পরিবারের দাবি, প্রসবের পর শিশুটিকে জীবিত পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডাক্তার শারমিনের চিকিৎসায় ভুলের কারণেই শিশুটির মৃত প্রসব হয়েছে। এ ঘটনায় তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন হাটহাজারী থানার ওসি ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেয়।
এদিকে, এ ঘটনায় চৌধুরীহাট নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিকিৎসাগতভাবে কী ছিল এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের গাফিলতি হয়েছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।
নিবার্হী সম্পাদক: অর্জুন মালাকার
২০২৬ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত World Hindu Times