
টলিউড তথা বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত জুটি দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সময়ের বিবর্তনে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারের পথ আলাদা হয়ে গেলেও তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা এবং বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনও আগের মতোই অটুট রয়েছে। অতীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের তিক্ততা কিংবা মান-অভিমানের অধ্যায় শেষ করে কেবল একটি ফোনেই সমস্ত দূরত্ব ঘুচে যাওয়ার নজির স্থাপন করেছেন এই দুই তারকা। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের বর্ষপূর্তির রাতে বিদেশের মাটিতে রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ছুটিতে থাকা অবস্থায় রাত দুটোয় দেবের একটি মিসড কল দেখতে পান শুভশ্রী। দেবের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা কথা না থাকা সত্ত্বেও মিসড কলটি দেখামাত্রই শুভশ্রী অনুধাবন করেছিলেন যে, কারণ যাই হোক না কেন, বন্ধু হিসেবে দেবের পাশে তার দাঁড়ানো প্রয়োজন। পরবর্তীতে দেব যখন সরাসরি ফোন করে চিত্রনাট্য, পরিচালক কিংবা বিষয়বস্তু প্রকাশ না করেই একটি ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব দেন, শুভশ্রী বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে তাতে সম্মতি জানান। এই সিদ্ধান্তটি নিছক পেশাদারিত্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে পারস্পরিক গভীর আস্থা, মানবিক সংহতি এবং পারস্পরিক সমর্থনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করে।
সিনেমার আঙিনায় নতুন পথচলায় শুভশ্রী জানান যে, কর্মজীবনের শুরুতে তাদের একসঙ্গে পথচলা শুরু হলেও নতুন পরিচালক হিসেবে দেবের স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও ভিশন তাকে মুগ্ধ করেছে। শুটিং সেটের প্রথম দিনে দেবের পেশাদারিত্ব এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখে যে আস্থার সূচনা হয়েছিল, তা কাজের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়। (News copied from- ‘হিন্দুস নিউজ) বর্তমান সময়ে যেখানে বাণিজ্যিক স্বার্থ বা ব্যক্তিগত টানাপোড়েনে মানবিক সম্পর্কগুলো ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, সেখানে দেব এবং শুভশ্রীর এই পারস্পরিক সহমর্মিতা ও আস্থার গল্প বিনোদন জগতের সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের মাঝে এক ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। সকল ভেদাভেদ ও অতীতের ছায়া ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতিই মূলত একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। আগামী দিনে ‘দেশু৭’ শিরোনামের নতুন এই চলচ্চিত্রে দেব-শুভশ্রী জুটিকে পুনরায় বড়পর্দায় নতুন রসায়নে দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন হাজারো ভক্ত ও অনুরাগী।























