চট্টগ্রাম ০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ
Logo বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo সন্ধিপূজা ও কুমারী আরাধনায় উদ্‌যাপিত হচ্ছে মহাঅষ্টমী Logo নরসিংদীতে বাবার ত্যাগের গল্পে পূজা মণ্ডপসজ্জা Logo কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় টানা তিন বছর ধরে দুর্গাপূজা হচ্ছে না। Logo রংপুরের ঐতিহ্যবাহী করুণাময়ী কালীবাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গোৎসব Logo লালমনিরহাটে সনাতন সেবক সংঘের ২৯তম বৈদিক বিদ্যাপীঠের সমাপনী ও গীতাদান অনুষ্ঠান Logo ১২৮ বছরের ঐতিহ্যে মুলাটোল সার্বজনীন পূজা মন্দিরে দুর্গোৎসব Logo আগামী ২০শে অক্টোবর রংপুর মহানগরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে আসবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান Logo দীঘিনালার রশিকনগর হরি মন্দিরে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশে সপ্তমী পূজা উদযাপন Logo রাউজানে মনপোদ্দার বাড়িতে শতবর্ষ পূর্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুর্গোৎসব

ইসকনের নাম ও ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক প্রচারণা!


দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসকন (International Society for Krishna Consciousness) কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা, অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক-ধর্মীয় বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে একটি নতুন ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে—ইসকনের নাম ও মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে রেখে একটি বাণিজ্যিক সাইবার সিকিউরিটি কোর্সের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রচারণামূলক পোস্টারে দেখা যায়, ‘সাইবার ফোর্স – We Fight For Bangladesh’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম ইসকনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ঠেকানোর কথা উল্লেখ করে এক হাজার শিক্ষার্থীকে সাইবার সিকিউরিটি কোর্স করানোর ঘোষণা দিয়েছে। পোস্টারটিতে দাবি করা হয়েছে, ১৪ হাজার টাকার কোর্স মাত্র ৩৯৯ টাকায় দেওয়া হবে; একইসঙ্গে বলা হয়েছে, এই কোর্সের মাধ্যমে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনলাইন অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে।





প্রচারণাটিকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—ইসকনের নাম ও সংশ্লিষ্টদের ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে রেখে একটি বাণিজ্যিক কোর্সের প্রচারণা চালানো হচ্ছে কি না। বিশেষ করে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা সম্প্রদায়কে ঘিরে মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী নিজেদের সেবা কিংবা পণ্য প্রচার করছে কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।

তবে পোস্টারটিতে উল্লিখিত কোর্স, এর আয়োজক প্রতিষ্ঠান এবং ইসকনের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না—এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য জানা জরুরি।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ইসকনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো সময়ে ইসকনকে “মilitant” বা “ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট” হিসেবে চিত্রিত করে প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে; আবার অন্যদিকে ইসকন নিজেই দাবি করেছে যে তাদের বিরুদ্ধে “মিথ্যা, বানোয়াট ও ঘৃণামূলক প্রচারণা” চালানো হচ্ছে।

এই পরিবেশে ধর্মীয় অনুভূতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রবণতা বাড়ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোনো প্রচারণায় অর্থ প্রদান বা কোর্সে নিবন্ধনের আগে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, অনুমোদন, কোর্সের বাস্তবতা এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না—তা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন সচেতন মহল।


Tags
প্রতিবেদকের সম্পর্কে তথ্য

ডেস্ক রির্পোট ।। World Hindu Times

ধর্ম | সংস্কৃতি | মানবাধিকার | সংবাদ
জনপ্রিয় খবর

বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম দুর্গাপূজা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ইসকনের নাম ও ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্যিক প্রচারণা!

আপডেটের সময় : ০১:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসকন (International Society for Krishna Consciousness) কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা, অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক-ধর্মীয় বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে একটি নতুন ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে—ইসকনের নাম ও মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে রেখে একটি বাণিজ্যিক সাইবার সিকিউরিটি কোর্সের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রচারণামূলক পোস্টারে দেখা যায়, ‘সাইবার ফোর্স – We Fight For Bangladesh’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম ইসকনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ঠেকানোর কথা উল্লেখ করে এক হাজার শিক্ষার্থীকে সাইবার সিকিউরিটি কোর্স করানোর ঘোষণা দিয়েছে। পোস্টারটিতে দাবি করা হয়েছে, ১৪ হাজার টাকার কোর্স মাত্র ৩৯৯ টাকায় দেওয়া হবে; একইসঙ্গে বলা হয়েছে, এই কোর্সের মাধ্যমে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টসহ দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনলাইন অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে।





প্রচারণাটিকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—ইসকনের নাম ও সংশ্লিষ্টদের ধর্মীয় অনুভূতিকে সামনে রেখে একটি বাণিজ্যিক কোর্সের প্রচারণা চালানো হচ্ছে কি না। বিশেষ করে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা সম্প্রদায়কে ঘিরে মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী নিজেদের সেবা কিংবা পণ্য প্রচার করছে কি না, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।

তবে পোস্টারটিতে উল্লিখিত কোর্স, এর আয়োজক প্রতিষ্ঠান এবং ইসকনের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না—এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য জানা জরুরি।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ইসকনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো সময়ে ইসকনকে “মilitant” বা “ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট” হিসেবে চিত্রিত করে প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে; আবার অন্যদিকে ইসকন নিজেই দাবি করেছে যে তাদের বিরুদ্ধে “মিথ্যা, বানোয়াট ও ঘৃণামূলক প্রচারণা” চালানো হচ্ছে।

এই পরিবেশে ধর্মীয় অনুভূতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রবণতা বাড়ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোনো প্রচারণায় অর্থ প্রদান বা কোর্সে নিবন্ধনের আগে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, অনুমোদন, কোর্সের বাস্তবতা এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না—তা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছেন সচেতন মহল।